কুমড়ো পাতার ডাল

Posted in ভর্তা


 উপকরন : মুগ ডাল – আধা কাপ, মসুর ডাল- আধা কাপ, পেয়াজ – আধা কাপ, রসুন কুচি – ২ চা চামচ, আদা কুচি- ১ চা চামচ, কাচা মরিচ – ৫/৬ টি, কুমড়ো পাতা – মাঝারি সাইজের ১৫ টি অথবা ছোট সাইজের হলে প্রায় ২০ টির মত কচি কুমড়ো পাতা, হলুদ গুঁড়ো - ১ চা চামচ, মরিচ গুঁড়ো - ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো -১ চা চামচ, জিরে গুঁড়ো – ১ চা চামচ, লবন- পরিমানমত, সয়াবিন তেল- ৩ টেবিল চামচ, লেবু- ১ টুকরো, টমেটো- ১ টি।



প্রনালী : প্রথমে কুমড়ো পাতা গুলো ভাল মত পানি দিয়ে ধুয়ে কুচি করে কেটে নিতে হবে। পাতার ডগা গুলোতে হালকা একটু কাঁটার মত থাকে, তাই- ডগার মাথায় হালকা করে ধরে কাঁটাযুক্ত আবরনটা ফেলে দিলে ভাল হয়।।
এবার একটি হাড়িতে তেল গরম করে তাতে কাটা পেঁয়াজ , রসুন , আদা , লবন টুকু দিয়ে দিতে হবে। পেয়াজ একটু বাদামী রঙ ধারন করলে তাতে ধুয়ে তুলে রাখা ডালটুকু ঢেলে দিন।।এবার ডালের সাথে হলুদ , মরিচ, ধনে ,জিরে গুড়ো যোগ করতে হবে। পরিমান মত লবন দিয়ে এই ডাল টুকু কে মাঝারী আঁচে ভাল মত ভেজে নিন। এর মাঝে একটূ পর পর নেড়ে দেখতে হবে, যাতে হাঁড়ির তলায় পোড়া না লাগে । ডাল যখন হালকা লাল রঙ ধারন করবে, তখন দুই-আড়াই গ্লাস গরম পানি যোগ করুন। এবার মাঝারি আঁচে দশ মিনিট রান্না করুন।
ডাল যখন মোটামুটি সিদ্ধ হতে শুরু করবে, (কিন্তু গোটা গোটা ভাব থাকবে ) ,তখন কুচি করে কেটে রাখা কুমড়ো শাক গুলো ডালের সাথে মিশিয়ে দিন। আরো এক গ্লাস গরম পানি যোগ করতে পারেন। এর সাথে কাঁচা মরিচ ও যোগ করুন।এবার এই পর্যায়ে একটু লবন চেখে দেখতে পারেন।
এই ভাবে আরও মিনিট দশেক রান্না হবার পর যখন পাতা গুলো নরম হয়ে আসবে, ঐ সময় একটু লেবু চিপে দিতে পারেন।তারপর টমেটো কুচি যোগ করুন।
মিনিট পাঁচেক পর যখন টমেটো ও কুমড়ো পাতা গুলো নরম হয়ে মাখা মাখা হয়ে আসবে, তখন আরেকবার লবন দেখে নামিয়ে ফেলুন।